Header Ads Widget

Ticker

6/recent/ticker-posts

Facebook কি: Facebook - এর ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা

 Facebookকি? Facebook-এর ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা

ফেসবুক হলাে "সামাজিক যােগাযােগের একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট"। যাকে বলা হয় "সােশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট"। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময় তার কক্ষনিবাসী বন্ধু ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডুয়ার্ডো স্যাভেরিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্‌স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। । ফেসবুক ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে যাত্রা শুরু করে। ফেসবুকে বিনামূল্যে সদস্য হওয়া যায়। যে কেউ চায়লে গোপনীয়তা নীতি মেনে  সম্পুর্ণ ফ্রিতে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে। এই জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। 

Facebook কি Facebook - এর ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধাফেসবুকের সুবিধা ও অসুবিধা; ফেসবুক কে আবিষ্কার করেন কত সালে; ফেসবুকের ইতিহাস; Facebook কত সালে বাংলাদেশে আসে; ফেসবুক ব্যবহার; বাংলাদেশে ফেসবুক অফিস কোথায়; ফেসবুকের উপকারিতা ও অপকারিতা ফেসবুকের ইতিহাস; ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতার নাম কি; ফেসবুক আইডি নিরাপদ রাখার উপায়; ফেসবুক আইডি সুরক্ষিত রাখার উপায় বাংলাদেশে facebook চালু হয় কত সালে;


ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতা কে? 

  • মার্ক জুকারবার্গই ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।  

ফেসবুক এর মালিক কে? 

  • ফেসবুক এর মালিক হলো "ফেসবুক ইনক"। 

ফেসবুক এর ওয়েব এড্রেসঃ 

  •  ওয়েব এড্রেস হলোঃ www.facebook.com

ফেসবুক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ 

মার্ক জাকারবার্গ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী থাকা কালীন সময়ে, ২৮ অক্টোবর ২০০৩ সালে তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বসূরি সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করেন। তিনি দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে বলেন। কোন ছবিটি হট আর কোনটি হট নয়। 'হট অর নট'। এজন্য মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাক করেন। ফেসম্যাস সাইট এ মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন।

Read More: ডেটা ও ইনফরমেশন এর পার্থক্য কি? 

Facebook-এর ব্যবহারের সুবিধা: 

 ১. ফেসবুক বিশ্বের যে কোনাে প্রান্তের লােকজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে সাহায্য করে। অতি অল্প সময়ে দূর-দূরান্তে অবস্থিত কারো সাথে যোগাযোগ করা যায়।

২. বিদেশে অবস্থানকারী আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবদের সাথে যােগাযােগ রক্ষার ক্ষেত্রে ফেসবুক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে নিরবচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ রাখা যায়।

৩. ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য ফেসবুক একটি ভালাে মাধ্যম। 

৪. ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ের উপর মতামত প্রদান, কিংবা ব্যক্তিগত চিন্তা ভাবনা আদান-প্রদান করা যায়। 

৫. বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা খবর ফেসবুকের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে সবার সাথে শেয়ার করা যায়। 

৬. ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি ইচ্ছা করলে ছবি এবং টেক্সট ডকুমেন্ট আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারবেন। 

৭. আপনার যদি  কারো নাম জানা থাকে তবে তার নাম সার্চ করে তার কাছে Friend Request পাঠিয়ে বন্ধুত্ব করতে পারবেন। 

Facebook-এর ব্যবহারের অসুবিধা: 

১. ফেসবুকে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। অতিমাত্রায় ফেসবুক ব্যবহারের ফলে লেখাপড়া, ঘুম ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ কর্মের ব্যাঘাত ঘটে যাকে  ফেসবুক ম্যানিয়া বলা হয়ে থাকে। 

২. ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক সময় ব্যবহারকারীর ছবি বিকৃত করে, অশ্লীলভাবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। এতে মানুষের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 

৩. ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে। যার ফলে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। 

৪. ভূয়া তথ্য দিয়েও ফেসবুক একাউন্ট তৈরি করা যায়। যার কারণে ফেসবুকে অনেকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা করে থাকে । 

৫. অফিস চলাকালীন সময়ে ফেসবুকের ব্যবহার কাজকর্মে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।

৬. ফেসবুক এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ হতে পারে।

Post a Comment

2 Comments